দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য সহজ লক্ষ্য হিসেবে সংখ্যালঘুদের বেছে নিয়েছে একটি চক্র।

 যার ফলে মন্দিরে মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেই চলছে বলে মনে করছেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশ গুপ্ত। এদিকে, আইন ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদাসীনতা এই হামলার জন্য দায়ি। রামুসহ আগে সংখ্যালঘুদের ওপর যেসব হামলা হয়েছে তার সঠিক বিচার না হওয়ায় এধরণের ঘটনা ঘটেই চলছে বলেও  মনে করেন তারা। সনাতন ধর্মাবলম্বিদের মহউৎসব দূর্গাপুজার অস্টমীর দিন মন্ডপে কোরআন শরীফ রাখাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় সাম্প্রদায়িক হামলা। দাবানলের মত ছড়িয়ে পরা এই অপপ্রচারে দেশের ৭০টি পুজা মন্ডপে হামলা চালানো হয়। ভাঙ্গচুড়, লুট ও আগুন ধুরিয়ে দেয়া হয় পূজা মন্ডপ, সনাতন ধর্মাবলম্বিদের বাড়িঘর দোকানপাটে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সধারণ সম্পাদক রানা দাশ গুপ্ত বলছেন, নির্বাচন পূর্ব ও পরবর্তি সুদুর প্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে একটি মহল প্রশাসন ও রাজনীতিবিদদের নাকের ডগা দিয়ে এ হামলা চালাচ্ছে।পূর্বে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বিচার না হওয়ায় এধরণের ঘটনা ঘটেই চলছে বলে মনে করছেন, নিরাপত্তা ও আইন বিশেষজ্ঞরা।১৯৬৪ সালে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বন্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশবাসী যেভাবে রাজপথে নেমেছিল তেমনি ভাবে, সরকার ও প্রশাসনের পাশে এহামলা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলেও মনে করছেন তারা।